Tuesday, September 12, 2023

বরখাস্তের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রংপুরে যুক্ত করা হলো সেই এডিসি হারুনকে

ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে নির্যাতনের ঘটনায় বরখাস্তের একদিন পরই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের তৎকালীন এডিসি হারুন অর রশীদকে এবার পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির কার্যালয়ে যুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই কথা জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহাবুর রহমান শেখ স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, হারুন-অর রশীদ, পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এবং পুলিশ অধিদফতরে সংযুক্ত)-কে রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, রংপুরে সংযুক্ত করা হলো।

এর আগে গতকাল রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হারুন-অর রশীদকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয় পুলিশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সেই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, হারুন-অর-রশীদ, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা-কে জনস্বার্থে সরকারি কর্ম হতে বিরত রাখা আবশ্যক ও সমীচীন। সেহেতু সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৩৯ (১) ধারার বিধান মোতাবেক আজ থেকে সরকারি চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

তার আগে গত শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আরেক নারী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন এডিসি হারুন। ওই সময় সেই নারী কর্মকর্তার স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। নারী কর্মকর্তার স্বামীও একজন সরকারি কর্মকর্তা। তার সঙ্গে এডিসি হারুনের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এডিসি হারুন কেন্দ্রীয় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে শাহবাগ থানায় তুলে নিয়ে যান। সেখানে তাদের ওপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। এরপর অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়লে ওই দুইজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনার পর ছাত্রলীগের প্রতিবাদের মুখে প্রথমে এডিসি হারুনকে রমনা বিভাগ থেকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির পিওএমে সংযুক্ত করা হয়। পরে তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে বদলী করা হয় এপিবিএন-এ। কিন্তু ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ এতেও প্রতিবাদ জানালে সোমবার বিকেলে হারুনকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: