রাজধানীতে চালু হচ্ছে আরেকটি মেগা প্রকল্প। কাল শনিবার চলাচলের জন্য আংশিক খুলে দেয়া হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপাতত, ২০ কিলোমিটারের মধ্যে এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে চলাচলের জন্যে উম্মুক্ত হবে।
রাজধানী ঢাকার অসহনীয় যানজটের বাস্তবতাকে বদলে দিতে নেয়া হয়েছে -একের পর এক মেগাপ্রকল্প। নগর জুড়ে চালু আছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার ও মেট্রোরেলও। কেবল নির্ধারিত টোল পরিশোধ করেই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সুবিধা নেয়া যাবে।
এবার রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে অবশেষে ৯ বছর পরে আংশিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে গতিময় এই সড়ক।
সেতু সচিব মনজুর রহমান বলেন, আপাতত উড়াল সড়কের ২০ কিলোমিটারের মধ্যে খুলে দেয়া হবে ১২ কিলোমিটার। এই যাত্রায় বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের ৫টি পয়েন্ট দিয়ে গাড়ি উঠতে ও নামতে পারবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে। এরমধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওঠা ও নামার জন্য থাকবে একটি করে র্যাম্প। কুড়িলে উঠার পথ ২টি, নামার একটি আর বনানীতে দুটি র্যাম্প ওঠার ও দুটি নামার। উড়াল সড়কে মহাখালীতে নামা যাবে দুই পথে, তবে ওঠা যাবে একটি পথে। আর ফার্মগেটে নামার পথ একটি তেঁজগাও কলেজের সামনে, ওঠার র্যাম্প ৩টি। শুরুতে মোট ১৬টি র্যাম্প এর মধ্যে ১৩টিতে যানবাহন চলাচল করবে।
এরই মধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, উড়াল সড়কে উঠতে পারবেনা দুই ও তিন-চাকার কোন যানবাহন। থাকবে না ফুটপাত। নির্ধারণ করা হয়েছে আংশিক অংশে যানবাহনের টোলও। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ, হালকা ট্রাকের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৮০ টাকা। তবে মাঝারি ট্রাকে ৩২০ এবং ভারী ট্রাক চলাচলে গুনতে হবে ৪শ টাকা। এছাড়া, বাস-মিনিবাসের জন্য টোল ধরা হয়েছে ১৬০ টাকা।
২০১১ সালে নেয়া পরিকল্পনায় দেশের প্রথম এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৮হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। তবে কয়েকদফায় প্রকল্প ব্যয় বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।

0 coment rios: