ঘূর্ণিঝড় ড্যানিয়েলের প্রভাবে নজিরবিহীন বন্যায় লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর দার্না পরিণত হয়েছে লাশের নগরীতে। প্রাণহানি বেড়ে ছয় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এপর্যন্ত ছয় বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত আট হাজার মানুষের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া এক হাজার মানুষের মধ্যে ছয় বাংলাদেশি রয়েছেন।
মরদেহগুলো গণকবর দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এরা হচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের মামুন ও শিহাব এবং রাজবাড়ির শাহিন ও সুজন। বাকি দুজনের নাম-পরিচয় এখনো জানাতে পারেনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রবিবারের দুর্যোগে দার্না থেকে পানি নামতে শুরু করলেও রয়ে গেছে তাণ্ডবের চিহ্ন। পুরো শহর পরিণত হয়েছে ধংসস্তুপে। আকস্মিক বন্যা ও পানির ঢলে শহরের এক-তৃতীয়াংশ অবকাঠামো ভেসে গেছে বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট।
পানির নিচে বেনগাজি ও আল-মার্জসহ কয়েকটি শহর। সুনামির মতো ঢেউয়ে সাগরে ভেসে গেছে বহু মানুষ। বুধবার সকালেও দার্নার রাস্তা ও বিভিন্ন ভবনের আশপাশে অসংখ্য লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। নাজুক পরিস্থিতিতে উদ্ধার তৎপরতায় হিমশিম খাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবীরা।
এ অবস্থায় সহায়তায় যোগ দিয়েছে মিশর, কাতার ও ইটালিসহ কয়েকটি দেশের উদ্ধারকারী দল। সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও ইতালিসহ আরও কয়েকটি দেশ। বিভক্তি সত্ত্বেও মেডিকেল সামগ্রী ও চিকিৎসক পাঠিয়েছে ত্রিপোলিভিত্তিক সরকার।

0 coment rios: