গাজা থেকে হবে ক্যান্সার রোগ নিরাময়, হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন, সম্প্রতি আমেরিকার রিসার্চ সেন্টারে বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে গাজা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে,সারা বিশ্বে গাঁজার সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারনা পাল্টাতে শুরু করেছে,একুশটি অঙরাজ্যে (state) বিবিধ রোগের চিকিৎসার জন্য গাঁজার ব্যবহার আইনগত করা হয়েছে
পরিচিতি
গাঁজা এক ধরনের উদ্দীপক মাদক। মাদক হিসাবে গাঁজার ব্যাবহার খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সাল থেকে। সনাতন ধর্মগ্রন্থ অথর্ব বেদে এবং পুরাণেও গাঁজার কথা উল্লেখ আছে। পুরাণে উল্লেখ আছে দেবতারা গাঁজা গাছের জন্ম দিয়েছেন এবং সমুদ্র মন্থনকালে অমৃত থেকে গাঁজা গাছের উৎপত্তি। ইউরোপে গাঁজা ব্যাবহারের তথ্য পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ সালে গ্রিক দার্শনিক হেরোডোটাসের লেখায়।
রোগ নিরাময়ে গাঁজা
গাঁজা বলতেই একটা নেতিবাচক ধারনা মাথায় চলে আসে। আঁতকে ওঠি মাদকের কথা ভেবে। অথচ রোগ নিরাময়ে গাজার ব্যবহার আমাদের হয়ত অতটা জানা নেই। অনেক রোগে গাজার ব্যবাহারের কথা শোনা যায়। নীচে কিছু রোগের কথা বলা হলো-
গাঁজা সেবন ফুফুসের কার্যক্ষমতা কমায় না বরং বাড়ায়। Diary of the American Clinical Affiliation এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে। ৫,১১৫ জন রোগীর উপর ২০ বছর চালানো ও্ই গবেষণায় দেখা গেছে তামাক সেবনকারীদের ফুফুসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে অথচ গাঁজা সেবনকারীদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
Robert J. DeLorenzo, of Virginia Region College তে ইঁদুরের উপর পরিচালিত এক নিরীক্ষায় দেখা গেছে গাঁজার নির্জাস এবং কৃত্রিম গাঁজা মৃগী রোগ উপশমে যথেষ্ট অবদান রাখে। গাঁজা সেবনের ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত ইঁদুরগুলো খিচুনি (seizure) মুক্ত ছিল।
Dravet Condition চিকিৎসায় গাজার উপকারিতা অতুলনী। Dravet Disorder মৃগি রোগের একটা প্রকটতম রুপ। Dravet Condition এ আক্রান্ত শিশু শার্লটের গাজাঁ সেবনে সুস্থ্য হয়ে উঠার কাহিনী গণমাধ্যমে এ বহুল প্রচারিত হওয়ার ফলে রাতারাতি গাজা সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারনা বাড়তে শুরু করেছে।
গ্লুকোমার (glaucoma) চিকিৎসায় গাজার ব্যবহার হয়ে থাকে।
২০০৭ সালে California Pacific Clinical Center in San Francisco তে গবেষনা করে দেখা গেছে CBD (cannabidiol) ক্যান্সার বিস্তৃতি প্রতিরোধ করতে যথেষ্ঠ সহায়তা করে। কেমোথেরাপি নেয়ার ফলে সৃষ্ট ব্যাথা এবং বমি বমি ভাব দুরীকরনে গাজার ব্যবহারে উপকৃত হয়েছেন বলে অনেকে জোর দাবী করেন।
শেষে বলা যেতে পারে গাজা সরাসরি সেবন করা ক্ষতিকর কিন্তু ডাক্তারি মতে ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করলে সেটি সেবন করা যায়,

0 coment rios: