আবারও মাঠের আন্দোলনে সক্রিয় হচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত ১০ জুন পুলিশের অনুমতি নিয়ে বড় একটি সমাবেশ করার মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে দলটি। তারপর বিভিন্ন সময় সভাসমাবেশ করতে দলটির পক্ষ থেকে বারবার অনুমতি চাওয়া হলেও অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
এমন পরিস্থিতি দলটি আর কর্মসূচি করতে পুলিশের কাছে অনুমতি চাইবে না বলে ঘোষণা করেছে। অনুমতি ছাড়া কর্মসূচি করতে গিয়ে গত শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে পুলিশের বাধার মুখেও পড়েছে জামায়াত। ওই মিছিল থেকে দলের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনার একদিন পরই আবারও পুলিশের অনুমতি না নিয়ে রাজধানীতে বিশাল মিছিল করেছে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা। তবে এই মিছিলে পুলিশের বাধা বা আটকের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আবারও মাঠের আন্দোলনে সক্রিয় হচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গত ১০ জুন পুলিশের অনুমতি নিয়ে বড় একটি সমাবেশ করার মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে দলটি। তারপর বিভিন্ন সময় সভাসমাবেশ করতে দলটির পক্ষ থেকে বারবার অনুমতি চাওয়া হলেও অনুমতি দেয়নি পুলিশ। এমন পরিস্থিতি দলটি আর কর্মসূচি করতে পুলিশের কাছে অনুমতি চাইবে না বলে ঘোষণা করেছে। অনুমতি ছাড়া কর্মসূচি করতে গিয়ে গত শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে পুলিশের বাধার মুখেও পড়েছে জামায়াত। ওই মিছিল থেকে দলের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু সেই ঘটনার একদিন পরই আবারও পুলিশের অনুমতি না নিয়ে রাজধানীতে বিশাল মিছিল করেছে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা। তবে এই মিছিলে পুলিশের বাধা বা আটকের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, সরকারের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব ও ক্ষমতা হারানোর ভয় এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তারা এখন মৃত মানুষের আতঙ্কে নির্ঘুম। সে আতঙ্ক থেকেই ঢাকায় আল্লামা সাঈদীর জানাজা করতে দেয়া হয়নি। তার গায়েবানা জানাজায়ও পৈশাচিক হামলা ও অগণিত নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি গত ১৫ দিনে রাজধানীর মিরপুর, দারুসসালাম, মগবাজার ও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা থেকে শতাধিক নেতাকর্মীকে গায়েবি মামলায়, বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও ঢাকা মহানগরী উত্তর আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ দলের শীর্ষনেতাদের সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ করে রেখেছে। তাদেরকে আদালতে হাজির করা হচ্ছে অসৌজন্যমূলকভাবে। কিন্তু সরকারের মনে রাখা উচিত 'এক মাঘেই শীত যায় না'। আর এসব করে জামায়াতে অগ্রযাত্রাকেও কোনোভাবেই রোধ করা যাবে না।
তিনি সরকারকে ষড়যন্ত্র ও অপরাজনীতি পরিহার করে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ কারাবন্দি সকল নেতাকর্মী ও আটক আলেম-উলামার নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় জনগণের নেতাদের জনতাই মুক্ত করে ছাড়বে ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, সরকার অপশাসন, দুঃশাসন ও গণতন্ত্র হত্যার কারণে গণবিচ্ছিন্ন হয়ে এখন রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা সংবিধান স্বীকৃত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে তাণ্ডব সৃষ্টি করছে। মূলত এসব করে তারা চলমান গণআন্দোলন ও কেয়ারটেকার সরকারের গণদাবি পাশ কাটিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে তামাশা ও ভাঁওতাবাজির নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চায়। কিন্তু জনগণ তাদের সে স্বপ্নবিলাস ও ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই সফল ও সার্থক হতে দেবে না। তিনি সরকারকে টালবাহানা পরিহার করে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারকেটার সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান। অন্যথায় জনরোষে গণবিরোধী সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা ও ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য জিয়াউল হাসান এবং জামাল উদ্দীন, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ, মু. আতাউর রহমান সরকার, নাসির উদ্দীন, ছাত্রনেতা সালাহ উদ্দীন, আসাদুজ্জামান, আ.রহিম প্রমুখ।
Credit: Bangla vision news

0 coment rios: