Monday, August 28, 2023

ঘুম নিয়ে সবচেয়ে বেশি যে ৩ প্রশ্ন করা হয় গুগলকে

প্রতিরাতে ভালো ঘুমের অধিকারী সবাই হতে পারে না। রাতের একটি খারাপ ঘুম যে কারো জন্য সত্যি হতাশাজনক। কারণ, এটি আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে এবং আপনার স্বাস্থ্যকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করে। তাই ঘুমের অনেক বিষয়েই তথ্য জানতে মানুষ জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে প্রশ্ন করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

কিন্তু মানুষ ঘুম নিয়ে সবচেয়ে বেশি কোন প্রশ্ন করে তা কি আপনি জানেন? কি জানেন না তো। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সম্প্রতি ঘুম নিয়ে এমনই এক মজার প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজার।

ব্যস্তময় জীবনে ঘুম নিয়ে বিড়ম্বনায় ভোগেন না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে অনেকেরই সব সময় মেজাজ খিটখিটে থাকে। অনেকে আবার ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। তাই ঘুমের বিষয়ে তথ্য জানতে প্রায়ই মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে গুগল সার্চে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজারে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানুষ ঘুম নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন জানতে চেয়েছেন তিনটি বিষয়ে। এগুলো হলো-

১। বয়সভেদে দৈনিক কত ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন? এই প্রশ্ন বিভিন্ন দেশের ১ লাখ ৫ হাজার মানুষ প্রতি মাসে গুগলকে জিজ্ঞাসা করেন। এই প্রশ্ন গুগলে লিখে সার্চ দিলে গুগলের দেয়া উত্তর হলো ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সী শিশুদের রাতে অন্তত ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং ১৮ থেকে তার বেশি বয়সীদের দৈনিক ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন।

২। ঘুম বিষয়ে তথ্য জানতে মানুষ জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে সবচেয়ে বেশি দ্বিতীয় যে প্রশ্ন করেন তা হলো স্লিপ প্যারালাইসিস কী? প্রতিমাসে সারাবিশ্বে ৯০ হাজার মানুষ গুগলকে এ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। এ বিষয়ে গুগলের উত্তর হলো ঘুম থেকে জেগে উঠার সময়ে শরীরের কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াতে না পারার একটি অভিজ্ঞতাই হলো স্লিপ প্যারালাইসিস। এ সমস্যায় অনেকের ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা এ সমস্যায় ভোগার বড় একটি কারণ।

৩। ঘুম বিষয়ে তথ্য জানতে মানুষ গুগলের কাছে তৃতীয় যে প্রশ্নটি বেশি করে থাকে তা হলো কেন ঘুম আসছে না? এর কারণ অনেকেরই রাতে ঘুম আসে না। ঘুম সঠিক সময় না আসার কারণে শরীরে অনেক রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই এই প্রশ্নটিও প্রতি মাসে গুগলকে জিজ্ঞাসা করেন দেশ বিদেশের প্রায় ৯০ হাজার মানুষ।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: