গত কয়েক বছরে রংপুরের সিনেমা হল ব্যবসায় অকল্পনীয় ধ্বস নেমেছে। নিম্নমানের চলচ্চিত্রের কারণে দর্শকরা হয়েছেন হল বিমুখ। এতে মুখ থুবড়ে পড়েছে সিনেমা হলগুলো। জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে বেশিরভাগ সিনেমা হলই এখন ইতিহাস।
রংপুর প্রাচীনকাল থেকেই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এক যুগ আগেও জেলায় অন্তত ১১টি সিনেমা হল সচল থাকলেও এখন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে ১৯৭৮ সালে গড়ে ওঠা শাপলা টকিজ ও আকাশ সিনেমা হল।
বেশিরভাগ হলের অস্তিত্ব না থাকলেও এখনো 'লক্ষী হল, ওরিয়েন্টাল, দরদী, আকাশ, 'বিডিআর, সেনা অডিটোরিয়াম, শাপলা হল, চায়না হল' ও মিতালী হলসহ বিভিন্ন হলের নামডাক বা খ্যাতি রয়েছে রংপুরে।
দর্শকরা জানান, গত কয়েক বছরে অশ্লীলতায় ভরা নিম্নমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের কারণে হয়েছেন হল বিমুখ। তাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে সিনেমা হলগুলো। জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে রংপুরের বেশির ভাগ সিনেমা হলই এখন ইতিহাস। সচলের খাতায় এখন শুধুমাত্র দুটি।
সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ জানান, ভাল গল্প আর আধুনিক প্রযুক্তির ছবি ফিরিয়ে আনতে পারে দর্শক। এ কারণে আমরা ভাল গল্পের ছবি আশা করি পরিচালকদের কাজ থেকে। যাতে করে দর্শকরা হল বিমুখ না হয়। নয়তো আর এই যুগে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।
দর্শকরা জানান, গত কয়েক বছরে অশ্লীলতায় ভরা নিম্নমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের কারণে হয়েছেন হল বিমুখ। তাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে সিনেমা হলগুলো। জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে রংপুরের বেশির ভাগ সিনেমা হলই এখন ইতিহাস। সচলের খাতায় এখন শুধুমাত্র দুটি।
সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ জানান, ভাল গল্প আর আধুনিক প্রযুক্তির ছবি ফিরিয়ে আনতে পারে দর্শক। এ কারণে আমরা ভাল গল্পের ছবি আশা করি পরিচালকদের কাজ থেকে। যাতে করে দর্শকরা হল বিমুখ না হয়। নয়তো আর এই যুগে টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে।

0 coment rios: